Page Loading...

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬
২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে সংঘর্ষ, আহত ৬০

প্রতিবেদক: Staff Reporter

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০৯:২৮ অপরাহ্ন

Create PhotoCard

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে দুই পক্ষের মধ্যে মঙ্গলবার দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ বিকাল পর্যন্ত চলে, যাতে অন্তত ৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১০ জনকে গুরুতর অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষে কুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদও আহত হয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুলনা মহানগর ও জেলা শাখা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য ফরম বিতরণ শুরু করলে শিক্ষার্থীরা দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। শিক্ষার্থীরা ‘ছাত্র রাজনীতি ঠিকানা, এই কুয়েটে হবে না’, ‘দাবি মোদের একটাই, রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস চাই’-এর মতো স্লোগান দিতে থাকেন। মিছিলটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে পৌঁছালে ছাত্রদল সমর্থকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী এতে আহত হন। সংঘর্ষ ক্যাম্পাসের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে।

জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় ছাত্রদলের সঙ্গে বহিরাগতরা ছিল। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদেরও দেখা গেছে।

আহতদের মধ্যে খানজাহান আলী হল প্রাধ্যক্ষ মো. ইলিয়াস, শিক্ষার্থী প্রীতম বিশ্বাস, শাফি, নাফিস ফুয়াদ, সৌরভ, তাওহিদুল, নাফিস ফুয়াদ জীম, কবির হোসেন, দেবজ্যোতি, মাহাদি হাসান, নিলয় ও মমতাহিন প্রমুখ খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ জানান, বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত আছে। সংঘর্ষের সূত্রপাত কিভাবে হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ জানান, দুই গ্রুপের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনার সময় তিনি নিজে আহত হয়েছেন এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

সর্বশেষ সম্পাদনা: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:০১ পূর্বাহ্ন